সর্বশেষ

প্রিয় মা, যদি গল্প বলার মতো করে বলতে পারতাম!

প্রিয় মা, যদি গল্প বলার মতো করে বলতে পারতাম!

 

প্রিয় মা, সালাম নিও। তোমরা কেমন আছো? আমি ভালো আছি। আমার চোখের জলে এই লেখাটুকু তুমি পড়বে কি না আমি জানি না। তবুও আজ বলতে ইচ্ছে করছে। তাই বলছি। জমাট বাঁধা হাজার রঙের কথা উথলে উঠে বুকের চিনচিন ব্যথায়। যদি গল্প বলার মতো করে বলতে পারতাম, তাহলে হয়তো হৃদয়ের জ্বালা কিছুটা মিটতো। এইতো সেইদিন বিছানা ঝাড়তে গিয়ে অনেকগুলি কাগজের টুকরা নজরে পড়লো। হাতে নিয়ে দেখি অনেক আগে তোমার জন্যে কয়েকটা চিঠি লিখেছি। কিন্তু পাঠানো হয়নি। এখন আর কেউ চিঠি পোস্ট করে না। ডিজিটাল যুগ এখন সব বদলে গেছে।

চিঠিগুলি খুব যত্ন করে পড়েছি। সেই কবেকার কথা, অনেকটা নিভৃতে কেটে গেছে বছরগুলো। আমি জানি তোমাকে ভুলে যাওয়া কখনো আমার পক্ষে সম্ভব না, তারপরও ভোলার চেষ্টা করি, কিন্তু দিনের আলো যখন অন্ধকারের দিকে ধাবিত হয় কেনো যেনো তখন তোমাকে আরো বেশি করে কাছে পেতে ইচ্ছে হয়।

প্রতিদিন সন্ধ্যায় বুকের ভেতরটায় শুরু হয় কষ্টের ডুবসাঁতার। আমি ক্লান্ত হয়ে যাই মা। অবসাদ আর বিষাদিত সন্ধ্যা আমাকে ঘিরে ধরে। কেউ বুঝবে না, তুমি আর বাংলাদেশটা আমার কাছে কতো প্রিয়। পারি না মা, একটি রাতও তোমাকে ছাড়া থাকতে পারি না। অনেক কষ্টে কাটছে দিন। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হয়। তার ওপর মালিকপক্ষের নানা মন্তব্য, দুর্ব্যবহার। আর ভালো লাগে না। ইচ্ছে হয়, এখনই ফিরে আসি মাতৃভূমি। আর কত কষ্ট সইবো, তুমি বলো মা! স্বর্গের সুখ এ জগতে লুকিয়ে যেথায় থাকে, সেতো আর কোথাও নেই স্নেহময় মায়ের কোল ছাড়া। ছোটবেলায় বাবা বলতেন, জীবন বড় কষ্টের। তখন বুঝিনি। আজ বুঝতে পারি।

কেবলই কেঁদে ওঠে অন্তর। মা ইচ্ছে হলেও এখন আর ছুঁতে পারি না তোমায়। তোমাকে আর দেশকে যে কতোটা ভালোবাসি, প্রবাসে না এলে তা হয়তো জানা হতো না কোনোদিনই। রাতের নক্ষত্রগুলো তোমার কথা বারবার মনে করিয়ে দেয়। খেতে বসলে তোমার কথা ভেবে চোখে জল আসে।

জানো মা, এখন আমি খুব ভালো আছি। বেশ আছি। এদেশে সবাই ভালো থাকে। পয়সার দুনিয়া। যার আছে তার অঢেল টাকা, খরচ করার জায়গা নেই। আর যার নেই, সেও চলে যাবার মতো পয়সাওয়ালা। অথচ আমি তোমার দুঃখিনী ছেলে, এখনও পয়সাওয়ালা হতে পারলাম না। বাবার শরীর ভালোতো? বাবাকে সালাম দিও। রাত বিরাতে বাজারে বেশিক্ষণ যেন না থাকে, বারণ করবে। মা তোমার দেওয়া পুরানো কাপড় দিয়ে তৈরি কাঁথাটাও ছিঁড়ে গেছে কতদিন আগে। তবুও বুকে জড়িয়ে রাখতে ভালো লাগে। যেন তুমি আছ মা…

মা, আমরা যারা প্রবাসে থাকি দুই চার বছর পর পর দেশে যাওয়া হয়। দুই তিন মাসের ছুটিতে। কিন্তু মনের মণিকোঠায় দেশের মাটি লেগে থাকে। শুধুমাত্র দেহ পড়ে থাকে প্রবাসে। মা, আমরা অনুভব করতে পারি শুধুমাত্র প্রবাসীরা টেনশনে থাকে একথা পুরাপুরি ঠিক নয়, সত্যি নয়। আপনারাও প্রবাসীদের জন্য অনেক চিন্তিত থাকেন টেনশন ফিল করেন। কোনো মেহমানদারি বা কোনো অনুস্টানে ভালো কিছু খাবারদাবার রান্নাবান্না হলে আমরা যারা প্রবাসী সবার মা-বাবা কেউবা স্বামীর কথা মনে করে ভাবতে থাকে। তবে কিছু করার থাকে না, তা আমরা বুঝি! আর মা, আপনজনেরা কোনো প্রবাসী ছুটি কাটিয়ে প্রবাসে যাওয়ার দিনতারিখ শুনলে আপনাদের হুশ থাকে না। শুরু হয় যোগাযোগ। কী দেয়া যায় স্নেহময় সন্তানকে। কারো বা প্রিয় স্বামী প্রবাসে আছে তাকে। কোরবানীর গোশত থেকে শুরু করে শুটকি, মুরগীর কোরমা, তেলের পিঠা, ফুলি পিঠা, ভাপা পিঠা, কচুর লতি,কচুর শাগ, আদা জামীর, হাত কড়া, লেবু, দেশী আলু, শাশুড়ির দেয়া হাঁসের গোশত, এমনকি রান্না করা খাশি গোশত ইত্যাদি দিয়ে থাকেন। অথচ এই খাবারগুলো প্রবাসেও পাওয়া যায়। আমি দেখেছি, মাঝেমাঝে অনেক দূর থেকে আসা খাবারগুলি দেশ থেকে কাতার এসে বাসা পৌঁছা পর্যন্ত যে খরচ হয় এর চেয়ে বহুগুণ এখানে কিনে খাওয়া যায়। এর পরেও দেশের আপনজন দিয়ে থাকেন মনকে মানাতে না পেরে। এইদিকে প্রায় সময় শুনতে পাই এয়ারপোর্ট ব্যাগ খুলে খাবারদাবার কিছুকিছু রেখে দেয়। আমি ওই স্যারদের বলবো আপনারা আমাদের কষ্ট বুঝতে চেষ্টা করুন। আমরা বুঝতে পারি আমাদের আপনজনেরা তাদের জমানো ভালবাসাটুকুই খাবার আকারে কাগজে প্যাকেট করে প্রবাসীদের ব্যাগে ভরে দেয়। এটা খাবার নয় ভালোবাসা। খাঁটি, নিখাদ ভালোবাসা।

মা, একদিন এক প্রবাসী নাঈম নামের এক বন্ধু এসে মনের দুঃখকষ্ট ব্যথাযুক্ত কিছু কথা শেয়ার করলো আমার সাথে। সেই প্রবাসীর কথা গুলি তাহলে শুনুন। সে হাজার দায়িত্ব বুকে নিয়ে পাড়ি জমিয়েছিল প্রবাসে। অভাবের সংসারকে ক্ষণে ক্ষণে বুঝতে শিখেছিল। প্রথম দায়িত্ব নিয়েছিল দুঃখের সংসারে সুখের আলো দেখাবার দায়িত্ব দীর্ঘ ১৫/১৬ বছর প্রবাসে কাটিয়ে দিয়েছিল সংসারের ঘানি টানতে টানতে। এক কথায় সংসারের সুখের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছিল নির্লজ্জ অসহায় হয়ে প্রবাসের মাটিতে। সে সংসারের সুখের পিছনে ছুটতে ছুটতে কখন যে ৩০/৩২ বসন্ত চলে গেলো বুঝতে-ই পারেননি। যৌবনের বাতাস এসে বার বার মনে করে দিলেও যৌবনের সুখের ছায়া আঁচ করতে সুযোগ পায়নি। প্রবাসে প্রথম পাড়িতে দীর্ঘ ৫/৬ বছর পার করে দিলেন সংসারের ঘানি টানতে টানতে। একবার নড়েচড়ে ভাবলেন! দেশে গিয়ে একজন মনের মানুষ খুঁজে দুঃখকষ্ট ভাগাভাগি করে নিবেন। যেই কথা সেই কাজ!

দেশে গিয়ে পাত্রী পছন্দ করে পরিবারপরিজনকে জানালেন। বিয়ের দিনতারিখ ঠিকঠাক করলেন। পরিবার থেকে তাকে বিয়ের খরচের একটা লিস্ট হাতে ধরিয়ে দিল। সে যতো-ই বলল না কেন! আমি প্রবাস জীবনে যতো টাকাকড়ি কামিয়েছি সবই তো আপনাদের কাছে পাঠিয়েছি। আমার কাছে কোণ টাকাকড়ি নেই! পরিবার থেকে উত্তর আসল কোনো টাকাকড়ি আমাদের কাছে নেই। এই বলে সাথে সাথে তাকে ছেড়ে সবাই প্রত্যাখ্যান করে চলে গেল। প্রিয় পরিবারপরিজনের এমন কথা শুনে সে অবাক হয়ে গেল। মনে হল আকাশটা ভেঙে মাথার উপর পড়ল। অথচ সে ছোট বেলা থেকে সংসারের উন্নতির জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করেছিল, ভাইবোনদের লেখাপড়ার খরচের জন্য, বিদেশ কিংবা দেশে কোনো কাজের জন্য চাকরিবাকরি দেয়ার জন্য আর্থিক ব্যবস্থা করেছেল। বোনদেরকে বিয়েশাদী দিয়েছেল। বাবা-মাকে ন্যূনতম সাধ্যমত ভালো খাবারের চেষ্টা করেছিল। সবার চিকিৎসা সেবাযত্ন করেছিল হাজারো দুঃখ বেদনা সহ্য করেছিল। বিদেশের মাটিতে টাকা-পয়সা রুুজি করে কখনো বিলাসিতা করেনি। মনে চাইলেও একটু ভালদামি কাপড় কিনতে বিবেকে বাধা দিয়েছে। অনেক সময় মনেরগহিনে পীড়াপীড়ি করেছিল ভালো একটা রেস্টুরেন্টে খেতে, দেশের আপন জনদের কথা চিন্তা করে (তবে এগুলা আপনার অবশ্য করণীয়) ঈদ কি জানিস কখনো উপলধ্বি করতে পারেনি। তার সুখ-আনন্দ সব চোখের জলে বিসর্জন দিয়েছিল পরিবােরের একটুকর শান্তির জন্য। তখন বারবার এই কথা বলেও কোনো লাভ হল না শুধুমাত্র ফেল ফেল করে চোখে মুখে অশ্রুকণা ঝরানো ছাড়া..

এই কথা বলতে বলতে তার দুচোখ দিয়ে অশ্রু টপটপ করে পড়ছিল আর আমাকে তার সংগ্রামী জীবনী থেকে কিছু উপদেশ শুনিয়েছিল। উপদেশ গুলি ছিল এই, সংসার জীবনের অভাব অনটন ঘোছানোর দায়ভার বা চেষ্টা করে একটু শান্তি ফিরাতে সচেষ্ট হন তাহলে-ই আপনার ব্যক্তি জীবনের জন্য সবচেয়ে বোকামি। আর একসাথের সংসার হলেও পরিবারের সকল সদস্য ছোট বেলা থেকে একমন মানসিকতায় বড় হয়নি। কারো একটু সংসারের অভাব ঘুছানোর প্রতি টান বেশি কারো একটু কম। কেউ একটু উদাসি, কেউ অবহেলায় কাটায়। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু?? আপনি যদি একটু টান ভালোবাসা দরদি ব্যক্তি হন তাহলে, ভবিষ্যত জীবনে অন্ধকার, অভিশাপ, ব্যর্থতা, তুচ্ছ তাচ্ছিল্য গ্রহণ করা বা সহ্য করার জন্য প্রস্তুত?

মা, আমি কাতারে প্রবাস জীবন পার করলাম ১৬টি বৎসর। এর মাঝে হারিয়েছি অনেক। পেয়েছি অনেক না পাওয়া কিছু। এতো চমৎকার দিনগুলো ছেড়ে প্রবাসে। ছবির মতো সুন্দর বলতে যা বোঝায় ঠিক সে রকম একটি গ্রামে আমার ছেলেবেলাটা কেটেছে। গাঁয়ের ধুলো মাটি মেখে বড় হয়ে ওঠা। আমাদের কামরাঙ্গা গ্রামের দক্ষিণ দিকে চাঁদপুরের ডাকাতিয়া নদী, ছোট নদীটা সাপের মতো এঁকেবেঁকে গ্রামের দক্ষিণ দিয়ে বয়ে গেছে। জ্যোৎস্না রাতে নদীর পানিতে যখন চাঁদের আলো পড়ত, অদ্ভুত মায়াময় এক পরিবেশ তৈরি হতো। মনে পড়ে দেশে থাকতে সকালবেলায় ঘুম ভেঙে মা তোমার মুখ দেখে চোখ খোলা। ভোর বিহনে কাক কোকিল চড়ুই কবুতরের ছন্দের সাথে আহ্বান। সূর্যিমামার সাথে সাথে নিজের শীতের পিঠা খাবারের প্রস্তুতি। বিকালে বাসায় মা বাবা ভাইবোন ছোট ছোট বাচ্ছাদেরকে নিয়ে ঝাল মুড়ির আয়োজন। কখনও বাজারে গিয়ে ইস্কুলের মাঠে খেলা করা। বৃষ্টিতে ভেজা ছিল দৈনন্দিন ব্যাপার, ঘরের চালে টুপটাপ আম পড়লেই হলো-দে ছুট ! এক ছুটে আমতলায়, বন্ধুদের সাথে কাড়াকাড়ি করে কখনো ভাগাভাগি করে খাওয়ার আনন্দটা আজও মনে ভাসে।

বয়স যখন আট দশবছর একদিন আজান দেয়ার সময় সামনেই পড়লো পাকা আম ইয়া বড়। লোভ শামলাতে পারলাম না, আজানরত অবস্থাই তুলে নিলাম, আমটা ছিলো আমাদের মুজিবুর চাচার গাছের, আমার চাচিজান এখনো বলে এবং হাসে আমাকে নিয়ে। শীতের সময় খেজুরের রস ছিল অন্যতম আকর্ষণ। শহর থেকে আত্মীয় স্বজন মৌসুমী পাখির মতো আসা শুরু করত গ্রামের বাড়িতে। আমাদের রাস্তার পাড়ে সারি সারি খেজুর গাছে ঝুলে থাকা হাঁড়ি থেকে খেজুরের টাটকা রস খাওয়া কিংবা রাতে খেজুরের রসের পায়েসের স্বাদ কতকাল পাই না। আমাদের ছাড়া বাড়িতে পিকনিক (ছোটোকালে যেটাকে বলতাম জোলাভাতি) ছিল আমাদের প্রতি বছরের বিনোদন। আজ ক্ষণে ক্ষণে মন চলে যায় সেই ছোট বেলার খেলায়। সাদা সাদা বকের ঝাঁক আর বালি হাঁসদের নিত্য আনাগোনা। আমাদের বাড়ির সামনে খেজুর গাছগুলো আজ আর নেই, ওই গাছগুলাকে ঘিরে আমার কত স্মৃতি !

বর্ষায় গাঁয়ের চারিদিক পানিতে থৈ থৈ করতো। রাস্তার পাশদিয়ে মাছ দেখা যেতো, ফসলি জমি সব তলিয়ে যেতো, চারিদিকে শাপলা শালুকের মেলা বসতো। বন্ধুরা মিলে কলাগাছের ভেলা বানিয়ে চলে যেতাম দূরে, বহু দূরে। শাপলা তোলার প্রতিযোগিতায় মেতে উঠতাম। আমার চাচাতো ভাই ঈমাম হোসেন, জাহাঙ্গির, মানিক,নুরুল আমিন, ছাইফুদ্দিন, মোহসিন, মুনির হোসেন, আমির হোসেন, হারুন, হাফেজ মাসুদ ভাই তারা মিলে । আহা! কি চমৎকার দিন ছিল সে সব ! গাঁয়ের মধ্যে রয়ে গেছে আমার কত স্মৃতি কাহিনী। অনেক কিছু আজো আমাকে কাঁদায়। ভাবায় আমি কি আর হৈ-হুল্লুড় করতে পারবো বাড়ির পাশে জমে ওঠা বন্দুদের আড্ডায় । আজ শুধু অপেক্ষা করে থাকি মা, কবে পাইব ছুটি কখন দেখবো আমার গাঁয়ের সেই হাসি মুখ। আবার কখন আড্ডা জমবে পুকুর পাড়ে বাঁশের ছায়ায়।

মা, সত্যি যে সময়ের ব্যবধানে মানুষ কত কিছু দুরে রেখে চলে আসে। পরিবারের সকলের সুখের জন্য চলে যায় বহু দুর নিজ বাসস্থান ছেড়ে। আল্লাহ এই এক অপরুপ সৃষ্টি পৃথিবীতে আমরা আছি প্রশ্ন করি নিজেকে দেশে গেলে কি পারবো আগের মতো পিকনিক খেলতে! কলার ভেলা বানিয়ে ঘুরতে। এখন কি আর সেই সময় আসবে যে আবারো শাপলা তোলার প্রতিযোগিতায় মেতে উঠতে ! আমি এখনো খুঁজে বেড়াই আমার কিশোর বেলার হারিয়ে যাওয়া এক টুকরা নীল আকাশ। কোনো উদাস ক্ষণে সুযোগ পেলেই স্মৃতির মধ্যে ডুব দেই। কি নেই সেখানে! কচি ধানের শীষে কিংবা ঝিঙে মাচায় ফড়িঙের ওড়াওড়ি, উদাসি কুকিলর শুর, মনের সুখে ছোট্ট পাখি টুনটুনি’র এ গাছ থেকে ও গাছে লাফালাফি ! ভোরের সবুজ ঘাসের বুকে স্বচ্ছ শিশির বিন্দুর উপর নরম রোদ পড়ে চিকচিক করে ওঠা । এখন সেই বন্ধুরা সবাই যে যার মত ব্যস্ত! চাকরি-ব্যবসা, সংসার-ছেলে-মেয়ে প্রবাস জীবন নিয়ে! আজ আমাদের সময়ের বড় অভাব! তাই স্মৃতি হাতড়ে আতিপাতি করে খুঁজে বেড়াই সেই মুহূর্তগুলোকে ! ভাবতে ভাল লাগে, ঘোর কেটে যায়, আমি ফিরে আসি বাস্তবে।

লেখাটি সকল প্রবাসীদের প্রতি উতসর্গিতঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*