সর্বশেষ

তারেক জিয়া এবং রোহিঙ্গা ষড়যন্ত্র

‘তারেক জিয়া এবং রোহিঙ্গা ষড়যন্ত্র’ !!

___ রোহিঙ্গা ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে সরকার পতনের একটি পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে । পরিকল্পনাটির নীলনকশা করেছিল ‘তারেক জিয়া, যুদ্ধাপরাধীদের সন্তানরা এবং জামাত’ । তারেক জিয়া লন্ডনে ‘আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির ( এ আর এস এ )’ একটি গ্রুপের সঙ্গে বৈঠক করেন । আতা উল্লাহর নেতৃত্বে ‘আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি’ একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন । ‘এআরএসএ’ স্বাধীন আরাকান রাজ্য প্রতিষ্ঠার জন্য সশস্র সংগ্রাম করে । একাধিক সূত্রে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, ২৪ আগস্ট মিয়ানমার সরকার ‘কফি আনান রিপোর্ট’ প্রকাশ করে । এর পরদিনই ‘এআরএসএ’ চারটি থানা এবং একটি সেনা ছাউনিতে আক্রমণ করে । এরপরই মিয়ানমার সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে মুসলিম নিধনে নামে ।

 

মিয়ানমার সরকার ‘আরাকান স্যালভেশন আর্মি’কে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে । অনেকেই মনে করে, এটি ছিল লন্ডন পরিকল্পনার অংশ । তারা জানত, সশস্র আক্রমণের পর মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর আক্রমণ করবে এবং রোহিঙ্গারা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেবে । এখানেই তারেক জিয়ার নীলনকশার সূচনা । তারেক জিয়া আশা করেছিল বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানাবে । এতে ‘হেফাজত’ সহ চরমপন্থী ইসলাম পছন্দ দলগুলো ক্ষোভে ফেঁটে পড়বে । দ্রুত জনপ্রিয়তা হারিয়ে সরকার ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হবে । মিয়ানমারে সন্ত্রাস করে একটা পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য তারেক এবং তার সমমনা যুদ্ধাপরাধীদের সন্তানরা ‘এআরএসএ’ -কে আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছিল বলে জানা যায় । এজন্য রোহিঙ্গা ইস্যু শুরুর সঙ্গে সঙ্গে ‘বিএনপি’ মাঠে নামে । কিন্তু, প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষণতায় পরিস্থিতি পাল্টে যায় । নীলনকশার প্রথম অংশটি ভেস্তে যায় ।

তবে একাধিক সূত্রে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, এটা হলো নীলনকশার প্রথম পর্ব, যেটা ব্যর্থ হয়েছে । দ্বিতীয় পর্বটি নিয়ে এখনো চেষ্টা চলছে । গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে, মিয়ানমার থেকে যারা পালিয়ে বাংলাদেশে আসছে তাঁরা সবাই নিরীহ নয় । এরা সবাই যে প্রাণভয়ে আসছে তাও নয় । এদের মধ্যে অনেকেই ‘আরাকান স্যালভেশন আর্মির সদস্য’ । এছাড়াও ভারত দাবি করেছে, পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে ‘আই এস’ -এর প্রশিক্ষিত জঙ্গিরাও রয়েছে । ‘বিএনপি – জামাত’ এই সব বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং জঙ্গিদের নিয়ে দেশে নাশকতার পরিকল্পনা করতে পারে বলে ইতিমধ্যেই গোয়েন্দা সতর্ক করেছেন । পাশাপাশি, বিচ্ছিন্নতাবাদীরা বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে স্বাধীন আরাকানের জন্য সশস্র যুদ্ধ করতে পারে । সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বড় রকমের ঝুঁকিতে পড়বে ।

অবশ্য এই সব নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়গুলো সরকারের মাথায় আছে বলে জানিয়েছেন, সরকারের সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের । বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মাটি কখনো জঙ্গিবাদের জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না । বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে শুধুমাত্র মানবিক কারণে’ । তাঁর মতে, ‘বিএনপি’ সব সময়ই ষড়যন্ত্র করে কিছু একটা করতে চায়, এটা দেশবাসী জানে, তাই অন্য ষড়যন্ত্রের মতো এটাও ব্যর্থ হবে’ ।

g

(Visited 1 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*