সর্বশেষ

পয়লা বৈশাখের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’কে ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ঘোষণা

পয়লা বৈশাখের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’কে ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ঘোষণা উদ্যাপন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ। অনুষ্ঠানে এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, বাংলা একাডেমি ও ইউনেসকোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মাননা জানানো হয়েছে।
index
চলতি বছরের ৩০ নভেম্বর ইউনেসকোর ‘ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ স্বীকৃতি পেয়েছে বাঙালির সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব পহেলা বৈশাখ উদ্যাপনের অন্যতম অনুষঙ্গ ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’। ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের আয়োজনে শুরু হওয়া এই ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’টি এখন বিশ্বের বুকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশকে। এই গর্বিত অধ্যায়ের দাবিদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ। এই অর্জনে গতকাল দিনব্যাপী আনন্দ আয়োজন করেছে চারুকলা অনুষদ।

‘এসো গাহি মঙ্গলের জয়গান’ স্লোগান ধারণ করে চারুকলার বকুলতলায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে দেশবরেণ্য শিল্পীদের পাশাপাশি সংস্কৃতি অঙ্গনের ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গল শোভাযাত্রাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি অর্জনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করাতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, বাংলা একাডেমি এবং ইউনেসকোয় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও ফ্রান্সে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলামকে সম্মাননা দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন সংস্কৃতিসচিব আকতারী মমতাজ এবং বাংলা একাডেমির পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। এম শহীদুল ইসলামের পক্ষে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন সংস্কৃতিসচিব আকতারী মমতাজ। তাঁদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। উত্তরীয় পরিয়ে দেন চারুকলা অনুষদের অঙ্কন ও চিত্রায়ণ বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক রফিকুন নবী। মঙ্গল শোভাযাত্রার সূচনালগ্নে ১৩৯৬ সালে (১৯৮৯) যাঁরা যুক্ত ছিলেন এমন ২৭ শিল্পীকে বিশেষ সম্মাননা জানানো হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘সামরিক রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে কিছু উদ্যমী তরুণ প্রথম মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করেছিল বলেই এটি আজ বাংলাদেশে একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ’ আরো বক্তব্য দেন চারুকলা অনুষদের ডিন শিল্পী নিসার হোসেন ও সংস্কৃতিসচিব আকতারী মমতাজ।

(Visited 1 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Research Publishing Academy in the UK
Research Publishing Academy in the UK