সর্বশেষ

বাঘারপাড়ার জনগণের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ চান শাওন

বাঘারপাড়ার জনগণের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ চান শাওন
বর্তমান সময়ে তরুনদের রাজনীতিতে আসাটাকে সবাই খুব ভাল ভাবেই দেখেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যক্তিগতভাবে চান যেন এদেশের রাজনীতিতে তরুনণেরা এগিয়ে আসুক, দেশ সেবার মন্ত্রে উজ্জীবিত হোক। জাতির জনকের সোনার বাংলা বিনির্মানে বর্তমান সরকারের যে একান্ত প্রচেষ্ঠা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তরুনদের সামনের দিকে আনার প্রচেষ্ঠাকে মেলানো যায় খুব সহজেই। বাঘারপাড়া উপজেলা যশোরের একটি পিছিয়ে পড়া উপজেলা। এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৫ম ধাপে আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ভোট। বিএনপি নির্বাচনে না আসায় দলীয় প্রার্থীদের ছড়াছড়ি। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আলো ছড়াচ্ছেন  সবচেয়ে তরুন প্রার্থী হল রাকিব হাসান শাওন।
উচ্চ শিক্ষা শেষ করে ব্যবসায়ে সফল এই তরুনের রাজনীতিতে হাতেখড়ি ছাত্রজীবনেই। সারাদেশে যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হয় তখন এই তরুন নেতা সবার সামনে আসেন। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির কনিষ্ঠ এবং সক্রিয় একজন সদস্য।
তরুন এই প্রার্থী বাঘারপাড়াকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন, বাঘারপাড়াকে একটি সফল এবং আধুনিক মডেল উপজেলা হিসেবে গোড়ে তোলার লক্ষে কাজ করে যেতে চান। প্রথম প্রভাতের সাথে একান্ত আলাপকালে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই মানুষের জন্য কিছু করার প্রবল তাগিদ ছিল ভিতরে। সেই লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতেই আমি বাঘারপাড়াবাসীর সাথে কাজ করতে চেয়েছি।
রাজনীতিতে সরাসরি আসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, রাজনীতিতে নতুন করে আসার কিছু নেই। আমার পরিবার রাজনৈতিক পরিবার। ছাত্রজীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সরাসরি জড়িত। নির্বাচন হল একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে সরাসরি জ্নগণের কাছে পৌঁছানো যায়। আমি যখনি সিদ্ধান্ত নিয়েছি নির্বাচনে অংশগ্রহন করব তখন থেকেই সরাসরি জনগণের কাছাকাছি থাকার চেষ্ঠা করেছ। এ এক অন্যরকম অনুভূতি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “তারুন্য আর প্রযুক্তি, বাঘারপাড়ার উন্নতি” স্লোগানকে সামনে নিয়ে আমি একটি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছি। আধনিক বাঘারপাড়া গড়ার রুপকল্প ঘোষণা করেছি। আমার ব্যক্তিগত কোন চাওয়া-পাওয়া নেই এখানে। বাঘারপাড়ার মানুষের জন্য কাজ করার প্রত্যয় নিয়েই নির্বাচনে দাড়িয়েছি। আশাকরি বাঘারপাড়ার মানুষ টিয়া প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে তাদের পাশে থাকার সুযোগ করে দিবেন।
সম্প্রতি বাঘারপাড়া উপজেলা জাতীয় পার্টি তরুন এই ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দিয়েছে। উপজেলায় জাতীয় পার্টির ত্রিশ হাজারের বেশি ভোট রয়েছে। তাছাড়া সৎ, শিক্ষিত, মার্জিত এই প্রার্থী প্রতিদিন কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের কাছে ছুটে যাওয়ায় দিন দিন তার সমর্থন বেড়েই চলেছে।
আগে থেকেই এলাকার মানুষের  ও এলাকার সার্বিক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে তিনি নিয়োজিত রেখেছেন নিজেকে। বাঘারপাড়া উপজেলার কুখ্যাত রাজাকার আমজাদ মোল্লার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের যুদ্ধাপরাধ মামলার তদন্তকাজে সহায়তাকারী হিসাবে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের কাছে দারুন জনপ্রিয় এই তরুন নেতা নির্বাচিত হয়ে বৃহৎ আকারে বাঘারপাড়ার মানুষের সেবা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, আসছে আগামী ৩১ তারিখ আমাকে টিয়া প্রতীক মার্কায় আপনার মুল্যবান ভোটটি দিবেন এবং আপনাদের সেবক হয়ে কাজ করার যুযোগ করে দিবেন।
(Visited 1 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Research Publishing Academy in the UK
Research Publishing Academy in the UK