সর্বশেষ

মালয়েশিয়ার ইউ পি এম ইউনিভার্সিটিতে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ উদযাপন

মালয়েশিয়ার ইউ পি এম ইউনিভার্সিটিতে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ উদযাপন

মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া ইউনিভার্সিটিতে পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ উদযাপন- চৈত্রসংক্রান্তির মাধ্যমে ১৪২৪ সনকে বিদায় জানিয়ে বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হলো নতুন বছর ১৪২৫।জীর্ণ-পুরাতনকে পেছনে ফেলে সম্ভাবনার নতুন বছরে প্রবেশ করলো বাঙালি জাতি।আর তাই পহেলা বৈশাখে বর্ণিল উৎসবে মেতেছে সারা বাংলাদেশ, সেই সাথে মেতেছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সকল প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া (বিএসএইউপিএম) কর্তৃক মালয়েশিয়ার অন্যতম  সেরা পাবলিক ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ার সাইন্স ফ্যাকাল্টির হল রুমে জাঁকজমকপূর্ণভাবে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫  উদযাপন করেছে। আকিব, তাজ, তাহিয়া ও প্রকৃতি’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠান টি সকাল ১০ টাই শুরু হয় এবং বিভিন্ন প্রকার দেশীয় মনোমুগ্ধকর নাচ, গান এর মাধ্যমে দুপুর ১ টা পর্যন্ত চলতে থাকে।

মালয়েশিয়ার ইউ পি এম ইউনিভার্সিটিতে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ উদযাপন
বাংলাদেশি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ার সভাপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে এবং প্রকৃতি ওয়াজেদ, মাসনুম মাহি,তাহিয়া ইসলাম,তাহজিনুল ইসলাম,আকিব ইসলাম,রৌশন খান শশি,ফাতিন দেওয়ান, প্রত্তুষ,অপূর্ব, শুভ সহ সকলের সতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ ও ছাত্রছাত্রীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠানটি সফলভাবে শেষ হয়েছে,

অনুষ্ঠানে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়ার সভাপতি মুসির সহ অনেক বিদেশী ছাত্রছাত্রী উপস্থিত ছিল। অনুষ্ঠান শেষে সকলের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয় যেখানে প্রধান আকর্ষন ছিল বিরিয়ানি,  ফিন্নি, নারিকেলের নাড়ু, মিষ্টি, ও খিচুড়ি।
আর সব চেয়ে আকর্ষণীয় ছিল শশি এবং প্রকৃতির তৈরি করা ফুসকা।

আজ মেয়েরা লাল শাড়ি, চুড়ি আর ছেলেরা পাঞ্জাবী পরে সকলের অংশগ্রহণ ইউ পি এম কে একটু বাংলাদেশে পরিণত করেছিল।

বাংলাদেশি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া (বিএসএইউপিএম) সকল নেতৃবৃন্দ সহ ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স, পি এইচ ডি অধ্যায়নরত অনেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহন করেন।

ভারতবর্ষে মুঘল সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর সম্রাটরা হিজরী পঞ্জিকা অনুসারে কৃষি পণ্যের খাজনা আদায় করত। কিন্তু হিজরি সন চাঁদের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় তা কৃষি ফলনের সাথে মিলত না। এতে অসময়ে কৃষকদেরকে খাজনা পরিশোধ করতে বাধ্য করতে হত। খাজনা আদায়ে সুষ্ঠুতা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। তিনি মূলত প্রাচীন বর্ষপঞ্জিতে সংস্কার আনার আদেশ দেন। সম্রাটের আদেশ মতে তৎকালীন বাংলার বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ ফতেহউল্লাহ সিরাজিসৌর সন এবং আরবি হিজরী সনের উপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সনের নিয়ম বিনির্মাণ করেন। ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ই মার্চ বা ১১ই মার্চ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে এই গণনা পদ্ধতি কার্যকর করা হয় আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (৫ই নভেম্বর, ১৫৫৬) থেকে। প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন, পরে “বঙ্গাব্দ” বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়।

(Visited 1 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Research Publishing Academy in the UK
Research Publishing Academy in the UK