সর্বশেষ

সেদিনের রক্তচক্ষু!

দেশরত্ন শেখ হাসিনা-মুক্তি আন্দোলন; দেশের সেই সংকট দিনে টিপু ভাই-বাদশা ভাইয়ের নেতৃত্বে সংগ্রামের দিনগুলোতে রাজপথে থাকার সৌভাগ্য হয়েছিল (তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলাম)। নেত্রীর মুক্তির জন্য কখনও লিফলেট লেখা, হলে হলে-ক্যাম্পাসে লিফলেট ছড়ানো, নীলক্ষেতে ব্যানার লেখা বন্ধ, পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দোকানদারকে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে দোকানের শ্যাটার বন্ধ করে ব্যানার লেখানো, টিপু ভাই- বাদশা ভাইয়ের নির্দেশে “শেখ হাসিনা’র মুক্তি চাই”‘- ঢাবি ক্যাম্পাসে দেয়াল লিখন (নব-রণো-আসমানদের সাথে অপরিপক্ব হাতেও লিখেছিলাম), পুলিশের রক্তচক্ষু ফাঁকি দিয়ে ভোর ৪ টায় পুলিশ-ঘেরা অপরাজেয় বাংলা-রাজু ভাস্কর্যে কালো কাপড়ে মুড়ে দেয়া, অতঃপর পুলিশের ধাওয়া খাওয়া-পুলিশের নজরদারিতে থাকা, ইয়াজউদ্দিন-ইউনূসবিরোধী মিছিল সহ আরো কতো গোপন গুরূত্বপূর্ণ কাজ সেদিন টিপু ভাই-বাদশা ভাইয়ের প্রত্যক্ষ নির্দেশে করেছিলাম, যা অনেকে আওয়াজ শুনেছিল, দেখেনি। ইউনুসের ‘নাগরিক শক্তি’কে “নাশ” নামকরণ করে ইউনুসের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে লিফলেট লেখা, তা হলে হলে ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে বিতরণ। টিপু ভাইয়ের নির্দেশে ২৪ জুলাই ২০০৭, ব্যারিস্টার মঈনুল এর কূশপুত্তলিকা দাহ; অতঃপর বাড়িতে পুলিশী তল্লাসি। সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক, গুটি কয়েক সাংবাদিক বন্ধুদের কথা ভুলবার নয়। নেত্রীর মুক্তির জন্য লাগাতার মিছিল, ধর্মঘট, মানববন্ধন, কালো ব্যাজ ধারণ – এ ধরণের কর্মসূচি চলেছে নিয়মিত।
(লেখাটা শেষ করতে হবে)… আজকের দিনে ২০০৮ সালে জাতীয়, আর্ন্তজাতিক যড়যন্ত্র ব্যর্থ করে মুক্ত হয়ে এসেছিলেন গনতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা, মুক্তি পেয়েছিল বাংলাদেশ..

১১, জুন ২০০৮ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কারা মুক্তির joydeb dada ১১, জুন ২০০৮ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার কারা মুক্তির

তথ্য সংগ্রহ-জয়দেব নন্দি দাদার ফেসবুক থেকে।

(Visited 1 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*